প্রতিটি ব্যবসায় কমবেশি ঝুকি আছে। তবে শেয়ার ব্যবসা যদি ভাল ভাবে না বুঝে নামা হয় তবে ঝুকির পরিমান বেশি এমন কি পথে বসে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ এখানে একবার ভুল করলে তা সংশোধন করার কোন সুজোগ নেই।
তাই কোন নতুন ব্যাক্তি যদি মন স্থির করেন যে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করবেন তাহলে ভাল ভাবে যেনে বুঝে বিনিয়োগ কর উচিৎ। মনে রাখতে হবে আমি অনেক গুলি অভিঙ্গ বিনিয়োগ কারির সাথে প্রতিযোগিতাই নেমেছি। তাদের সাথে আমাকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বুদ্ধি দিয়ে টিকে থাকতে হবে। নিচেয় আমি একে বারে নতুন বিনিয়োগ কারি দের ধারা বাহিক ভাবে কি করতে হবে তা বর্ণনা করলাম। ১. প্রথম আপনাকে নিদ্ধারন করতে হবে আপনি কোন ব্রোকারেজ হাউজে একাউন্ট করবেন তা নিদ্ধারন করুন। এর পর হাউজে গিয়ে যেনে নিন উক্ত হাউজের ব্যাংক একাউন্ট কোথায় পারলে আপনি সেই ব্যাংকে একাউন্ট খুলুন তা হলে ভবিষতে আপনি সল্প সময়ে ব্যাংক চেক ভাঙ্গাতে পারবেন। অথবা আপনার সুবিধা মত যেকোন অন লাইন সুবিধা আছে এমন ব্যাংকে একটা একাউন্ট খুলুন এবং সেই একাউন্ট নাম্বার দিয়ে ব্রোকারেজ হাউজে একাউন্ট খুলুন। ২. এর পর আপনি নিদ্ধারন করুন কতটাকা বিনিয়োগ করবেন। আপনার মোট টাকা তিন ভাগে ভাগ করুন এবং এক ভাগ রেখে দিয়ে বাকি দুই ভাগ টাকা দিয়ে ৩/৪ সেক্টর এর ৬/৮ প্রকার শেয়ার ক্রয় করুন। বাকি এক ভাগ টাকা আপনার জমা থাকবে। এর পর আপনার পূবে ক্রয়কৃত শেয়ার মধ্য থেকে যে শেয়ারের দাম বেশি পড়ে গেছে সেই শেয়ার অল্প অল্প করে ক্রয় করুন । পরে ক্রয়কৃত শেয়ার কিছুটা লস কভার করলে বিক্রি করে দিবেন। আবার দাম কমলে ক্রয় করুন তা না হলে উক্ত টাকা আবার রেখে দিন। আর সকল শেয়ার একটা আসানুরুপ লাভে গেলে বিক্রি করে লাভ তুলে নিন। আর যদি বাজার পরে যায় তাহলে রেখেদিন বছর শেষে ডিভিডেন্ড দিলে আপনার লস কভার হবে। তবে আপনি যে সেক্টর এর শেয়ার ক্রয় করুন যেন ভালো মৌল ভিত্তির শেয়ার হয় তাহলে লস হবার সম্ভাবনা থাকবে না । ৩. কোন আবস্থায় হুজুগে পরে শেয়ার ক্রয় করবেন না। কারণ আপনার লসের ভার আপনাকে বহন করতে হবে। ভালো ভাবে বিচার বিশ্লেষন করে শেয়ার ক্রয় করবে। আমার পরের লেখায় ভালো শেয়ার চেনার উপায় নিয়ে আলোচনা করবো।
তাই কোন নতুন ব্যাক্তি যদি মন স্থির করেন যে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করবেন তাহলে ভাল ভাবে যেনে বুঝে বিনিয়োগ কর উচিৎ। মনে রাখতে হবে আমি অনেক গুলি অভিঙ্গ বিনিয়োগ কারির সাথে প্রতিযোগিতাই নেমেছি। তাদের সাথে আমাকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বুদ্ধি দিয়ে টিকে থাকতে হবে। নিচেয় আমি একে বারে নতুন বিনিয়োগ কারি দের ধারা বাহিক ভাবে কি করতে হবে তা বর্ণনা করলাম। ১. প্রথম আপনাকে নিদ্ধারন করতে হবে আপনি কোন ব্রোকারেজ হাউজে একাউন্ট করবেন তা নিদ্ধারন করুন। এর পর হাউজে গিয়ে যেনে নিন উক্ত হাউজের ব্যাংক একাউন্ট কোথায় পারলে আপনি সেই ব্যাংকে একাউন্ট খুলুন তা হলে ভবিষতে আপনি সল্প সময়ে ব্যাংক চেক ভাঙ্গাতে পারবেন। অথবা আপনার সুবিধা মত যেকোন অন লাইন সুবিধা আছে এমন ব্যাংকে একটা একাউন্ট খুলুন এবং সেই একাউন্ট নাম্বার দিয়ে ব্রোকারেজ হাউজে একাউন্ট খুলুন। ২. এর পর আপনি নিদ্ধারন করুন কতটাকা বিনিয়োগ করবেন। আপনার মোট টাকা তিন ভাগে ভাগ করুন এবং এক ভাগ রেখে দিয়ে বাকি দুই ভাগ টাকা দিয়ে ৩/৪ সেক্টর এর ৬/৮ প্রকার শেয়ার ক্রয় করুন। বাকি এক ভাগ টাকা আপনার জমা থাকবে। এর পর আপনার পূবে ক্রয়কৃত শেয়ার মধ্য থেকে যে শেয়ারের দাম বেশি পড়ে গেছে সেই শেয়ার অল্প অল্প করে ক্রয় করুন । পরে ক্রয়কৃত শেয়ার কিছুটা লস কভার করলে বিক্রি করে দিবেন। আবার দাম কমলে ক্রয় করুন তা না হলে উক্ত টাকা আবার রেখে দিন। আর সকল শেয়ার একটা আসানুরুপ লাভে গেলে বিক্রি করে লাভ তুলে নিন। আর যদি বাজার পরে যায় তাহলে রেখেদিন বছর শেষে ডিভিডেন্ড দিলে আপনার লস কভার হবে। তবে আপনি যে সেক্টর এর শেয়ার ক্রয় করুন যেন ভালো মৌল ভিত্তির শেয়ার হয় তাহলে লস হবার সম্ভাবনা থাকবে না । ৩. কোন আবস্থায় হুজুগে পরে শেয়ার ক্রয় করবেন না। কারণ আপনার লসের ভার আপনাকে বহন করতে হবে। ভালো ভাবে বিচার বিশ্লেষন করে শেয়ার ক্রয় করবে। আমার পরের লেখায় ভালো শেয়ার চেনার উপায় নিয়ে আলোচনা করবো।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন