শেয়ার বাজারে ভাল এবং মন্দের মধ্যে পার্থক্য অনেকটা গরুর দুধ আর চোনার মত।
একশত টাকার একটি ভাল শেয়ারের দাম ৩৩০০ টাকা আর একটি মন্দ শেয়ারের দাম ২০০ টাকা। আবার ১০ টাকার একটি ভাল শেয়ারের দাম ৪০০ টাকা আর একটি মন্দ শেয়ারের দাম ২০ টাকা। কিন্তু বাজারে ভাল কোম্পানি তো একটি না তাহলে এর মধ্যে কোনটি কিনবো। এই প্রশ্নের আবার পালটা প্রশ্ন এসে যায় কখন কিনবো। কোন কোম্পানির শেয়ার কিনবো তা নির্ভর করে কখন কিনবো। কারন একই কোম্পানির শেয়ার এক সময় ভাল আবার অন্য সময় খারাব। অর্থাৎ এক সময় যেটা কেনা উচিৎ অন্য সময় সেটা বিক্রি কর উচিৎ। যে সময় যে শেয়ারটা কেনা উচিৎ সেই সময় সেটা বিক্রি করা ভুল। আবার যে সময় যে শেয়ারটা বিক্রি কর উচিৎ সেই সময় সেটা কেনা বিপদ-মহা বিপদ। এবার আসি আসল কথাই প্রতিটা কোম্পানি বছরের একটা সময় ডিভিডেন্ড দেয়। কোন কোম্পানি কখন ডিভিডেন্ড দিবে তা নিধারিত হয় উক্ত কোম্পানির YEAR END কখন ধরুন কোন কোম্পানির YEAR END যদি ডিসেম্বর হয় তাহলে উক্ত কোম্পানি ডিভিডেন্ড দিবে মার্চ - মে এর মধ্যে। ডিভিডেন্ড দেওয়ার আগে কোম্পানির নিন্ম লিখিত বিষয় গুলো লক্ষ রেখে ক্রয় করতে পারেন। ১.গত বছর কি পরিমান লাভ করেছে অর্থাৎ গত তিন কোয়াটারে কোম্পানির EPS কত। ২. সবার আগে দেখতে হবে গত এক বছরে কোম্পানিটির Movement কেমন এমন যদি হয় গত এক বছরের মধ্যে এখন সর্ব উচ্চ দাম যাচ্ছে তা হলে না নেওয়া বুদ্ধি মানের কাজ হবে। ৩. কোম্পানিটির গত চার পাঁচ বছর কেমন ডিভিডেন্ড দিয়েছে। আর সব চেয়ে ভাল Long time invest করলে। তা হলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। তবে Long time invest করার ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে ডিভিডেন্ড এর ক্লজ তারিখ এর পর কিছু দিন লক্ষ রেখে সময় বুঝে কোপ দেওয়া। তা ছাড়া কোন অবস্থায় গুজোবে কান দিয়ে শেয়ার কেনা বেচা করবেন না। আপনার মনে হতে পারে আপনার চোখের সামনে অনেকে গুজোবে শেয়ার কেনা বেচা করে অনেক লাভ করচ্ছে। কিন্তু আসল কথা হল তারা দশ কোম্পানির শেয়ার গুজোবে কেনার পর ছয় টায় হতোবা লাভ করে কিন্তু চার টায় এমন ধরা খাওয়া খায় যে ব্যবসার কথা আর মাথায় আসবে না। তাছাড়া ধরে নিলাম আপনি নতুন বিনিয়োগ কারি এর আগে আপনার লাভ হয়তো শুন্য তাই একটু ভেবে ব্যবসায় নামুন। এর পরের লেখায় আমি শেয়ার বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন শব্দে বিশ্লেষন আলোচনা করার আশা রাখি নতুন বিনিয়োগ কারিদের উপকার হবে।
একশত টাকার একটি ভাল শেয়ারের দাম ৩৩০০ টাকা আর একটি মন্দ শেয়ারের দাম ২০০ টাকা। আবার ১০ টাকার একটি ভাল শেয়ারের দাম ৪০০ টাকা আর একটি মন্দ শেয়ারের দাম ২০ টাকা। কিন্তু বাজারে ভাল কোম্পানি তো একটি না তাহলে এর মধ্যে কোনটি কিনবো। এই প্রশ্নের আবার পালটা প্রশ্ন এসে যায় কখন কিনবো। কোন কোম্পানির শেয়ার কিনবো তা নির্ভর করে কখন কিনবো। কারন একই কোম্পানির শেয়ার এক সময় ভাল আবার অন্য সময় খারাব। অর্থাৎ এক সময় যেটা কেনা উচিৎ অন্য সময় সেটা বিক্রি কর উচিৎ। যে সময় যে শেয়ারটা কেনা উচিৎ সেই সময় সেটা বিক্রি করা ভুল। আবার যে সময় যে শেয়ারটা বিক্রি কর উচিৎ সেই সময় সেটা কেনা বিপদ-মহা বিপদ। এবার আসি আসল কথাই প্রতিটা কোম্পানি বছরের একটা সময় ডিভিডেন্ড দেয়। কোন কোম্পানি কখন ডিভিডেন্ড দিবে তা নিধারিত হয় উক্ত কোম্পানির YEAR END কখন ধরুন কোন কোম্পানির YEAR END যদি ডিসেম্বর হয় তাহলে উক্ত কোম্পানি ডিভিডেন্ড দিবে মার্চ - মে এর মধ্যে। ডিভিডেন্ড দেওয়ার আগে কোম্পানির নিন্ম লিখিত বিষয় গুলো লক্ষ রেখে ক্রয় করতে পারেন। ১.গত বছর কি পরিমান লাভ করেছে অর্থাৎ গত তিন কোয়াটারে কোম্পানির EPS কত। ২. সবার আগে দেখতে হবে গত এক বছরে কোম্পানিটির Movement কেমন এমন যদি হয় গত এক বছরের মধ্যে এখন সর্ব উচ্চ দাম যাচ্ছে তা হলে না নেওয়া বুদ্ধি মানের কাজ হবে। ৩. কোম্পানিটির গত চার পাঁচ বছর কেমন ডিভিডেন্ড দিয়েছে। আর সব চেয়ে ভাল Long time invest করলে। তা হলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। তবে Long time invest করার ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে ডিভিডেন্ড এর ক্লজ তারিখ এর পর কিছু দিন লক্ষ রেখে সময় বুঝে কোপ দেওয়া। তা ছাড়া কোন অবস্থায় গুজোবে কান দিয়ে শেয়ার কেনা বেচা করবেন না। আপনার মনে হতে পারে আপনার চোখের সামনে অনেকে গুজোবে শেয়ার কেনা বেচা করে অনেক লাভ করচ্ছে। কিন্তু আসল কথা হল তারা দশ কোম্পানির শেয়ার গুজোবে কেনার পর ছয় টায় হতোবা লাভ করে কিন্তু চার টায় এমন ধরা খাওয়া খায় যে ব্যবসার কথা আর মাথায় আসবে না। তাছাড়া ধরে নিলাম আপনি নতুন বিনিয়োগ কারি এর আগে আপনার লাভ হয়তো শুন্য তাই একটু ভেবে ব্যবসায় নামুন। এর পরের লেখায় আমি শেয়ার বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন শব্দে বিশ্লেষন আলোচনা করার আশা রাখি নতুন বিনিয়োগ কারিদের উপকার হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন