আমরা যারা শেয়ার ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের বেশ কিছু নতুন শব্দের সামনে প্রতিনিয়ত পড়তে হয়। আমি আজ শব্দ গুলোর একটু বিস্তারিত বর্ননা করার চেষ্টা করবো।
আশা করি নতুন পুরাতন সকল বিনিয়োগ কারি দের উপকারে আসবে। আজ আমি প্রতিটি কোম্পানির সাথে সম্পর্কিত শব্দগুলোর বর্ননা করবো। আর অন্য একটি লেখায় বাজার সম্পর্কিত শব্দ গুলোর বর্ননা করবো।
১/ Market price or Last trade price (মার্কেট প্রাইস) - কোন কোম্পানির নির্দিষ্ট দিন বা সময় এর বাজার দর কে মার্কেট প্রাইস বা বাজার দর বলে। যেমন কোন নির্দিষ্ট দিন বা সময়ে একটি কোম্পানির বাজার দর ৩৫০ টাকা। বাজার দর বা মার্কেট প্রাইস বাজার চালু থাকলে প্রতি মুহুর্তে পরিবর্তন হয়।
২/ Close price - কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির শেয়ার নির্দিষ্ট দিনের শেষ ১৫ মিনিট এর গড় লেন দেন কৃত দর কে ক্লোজ প্রাইস বলে।
৩/ Volume - কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির শেয়ার নির্দিষ্ট দিনের শেষে বা সময় শেষে যত গুলো শেয়ার লেন দেন হয়।
৪/ Total Trade - কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির শেয়ার নির্দিষ্ট দিনের শেষে বা সময় শেষে যত বার লেন দেন হয়।
৫/ Authorized Capital - কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির অনুমদিত মুলধোন।
৬/ Paid-up Capital - কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির পরিশোধিত মুলধোন। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যাকে Face Value দিয়ে গুন করলে পেড আপ ক্যাপিটাল বের হয়।
৭/ Face Value - কোন নির্দিষ্ট কোম্পানি বাজারে শেয়ার ছাড়ার সময় তার পেড আপ ক্যাপিটাল এর প্রতি ইউনিট কে ফেস ভ্যালু বলে। অথাৎ বাজারে শেয়ার ছাড়ার সময় বাজার থেকে শেয়ার প্রতি যে টাকা সংগ্রহ করে তাকে ফেস ভ্যালু বলে তবে যদি কোন প্রিমিয়াম থাকে তবে সেটা বাদ দিতে হবে। প্রিমিয়াম বিষয়ে আমি পরের লেখায় বিস্তারিত লিখবো।
৮/ Market Lot - নির্দিষ্ট কোম্পানির অড লট ব্যতিত সর্ব নিম্ন যতগুলো শেয়ার একবারে ক্রয় করতে হয় তাকে মার্কেট লট বলে।
৯/ বোনাস শেয়ার - কোন কোম্পানি তার অর্থ বছর শেষে শেয়ার হোল্ডার দের যে লভ্যাংশ দেয় তা যদি শেয়ার হয় তবে তাকে বোনাস শেয়ার বলে। বোনাস শেয়ার দিলে কোম্পানির পেড আপ ক্যাপিটাল বৃদ্ধি পায়।
১০/ রাইট শেয়ার - কোম্পানি কোন কারনে যদি বাজার থেকে টাকা তুলতে ইচ্ছা পোষন করে বা প্রয়োজন হয় তখন অনেক গুলো পথের মধ্যে রাইট শেয়ার একটি পথ। রাইট শেয়ার এবং প্রিফারেন্স শেয়ার নিয়ে আলাদা একটি লেখা লিখবো।
১১/ ই পি এস - শেয়ার প্রতি আয় অথাৎ কোন কোম্পানির একটি অর্থ বছরের মোট লাভকে মোট শেয়ার সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যে ফল পাওয়া যায় তাকে ই পি এস বলে। এক বছর কে চার ভাগে ভাগ করে তাকে এক একটা কোয়াটার বলে। প্রথম তিন কোয়াটার আন অডিট আর বছর শেষে যেটা প্রকাশ করে সেটা অডিটেট।
১২/ পি ই - কোন কোম্পানি তার বর্তমান বাজার দর কে অর্থ বছরের ই পি এস দ্বারা ভাগ দিলে পি ই বের হয়। অথাৎ বর্তমান বাজার দরে শেয়ার ক্রয় করলে কোম্পানি সম হারে লাভ করলে তত বছর পরে আপনার বিনোয়গ কৃত টাকা উঠে আসবে।
১৩/ Nate Asset Value Per Share - শেয়ার প্রতি সম্পদ অথাৎ একটি শেয়ারের বিপরীতে যে সম্পদ থাকে তাকে Nate Asset Value Per Share বলে।
১৪/ Market Category - প্রতি অর্থ বছর শেষে যদি কোন কোম্পানি ১০% এর বেশি লভ্যাংশ দেয় তবে সেই কোম্পানি এ ক্যাটাগরি। আর যদি ৫-৯% লভ্যাংশ দেয় তবে বি ক্যাটাগরি। নতুন তালিকা ভুক্ত হলে এক অর্থ বছর শেষ হওয়ার আগ পর্ষন্ত এন ক্যাটাগরি। আর কোন লভ্যাংশ না দিলে জেট ক্যাটাগরি।
আরো কিছু বিষয় নিয়ে আর একদিন বিস্তারিত লিখব।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন